ব্যাকরণ

সাধিত ধাতু কাকে বলে? সাধিত ধাতু কয় প্রকার ও কি কি?

মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয়যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে। যেমন– √ দেখ্ + আ = দেখা, √ পড়্ + আ = পড়া, √ বল্ + আ = বলা। সাধিত ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষসূচক বিভক্তি যুক্ত করে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। যেমন– মা শিশুকে চাঁদ দেখায়। (এখানে দেখ্ + আ + বর্তমান কালের সাধারণ নাম পুরুষের ক্রিয়া বিভক্তি ‘য়’ = দেখায়)। এরূপ– শোনায়, বসায় ইত্যাদি।

গঠনরীতি ও অর্থের দিক থেকে সাধিত ধাতুকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা– (ক) নাম ধাতু, (খ) প্রযোজক ধাতু (ণিজন্ত) ধাতু, (গ) ধ্বন্যাত্মক ধাতু, (ঘ) কর্মবাচ্যের ধাতু।

ক. নাম ধাতু : বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের উত্তর ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয়, তা-ই নাম ধাতু। যেমন- সে ঘুমাচ্ছে। ‘ঘুম’ থেকে নাম ধাতু ‘ঘুমা’।

আরো পড়ুনঃ-

১। যৌগিক ক্রিয়া ও মিশ্র ক্রিয়া কাকে বলে? যৌগিক ও মিশ্র ক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য কি?

২। সমাপিকা ক্রিয়া ও অসমাপিকা ক্রিয়া কাকে বলে?

৩। ক্রিয়ার কাল কাকে বলে? ক্রিয়ার কাল কত প্রকার ও কি কি? (Tense in Bengali)

৪। ক্রিয়ামূল বা ধাতু কাকে বলে? ক্রিয়ামূল কত প্রকার ও কি কি?

৫। ক্রিয়ার ভাব কাকে বলে? ক্রিয়ার ভাবের প্রকারভেদ।

৬। প্রকৃতি কাকে বলে? প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের মধ্যে পার্থক্য কি?

৭। সমাস কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি? সমাসের প্রয়োজনীয়তা কি?

৮। অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি কাকে বলে?

৯। অন্তর্হতি, অভিশ্রুতি, অপিনিহিতি এবং অসমীকরণ কাকে বলে?

১০। বাংলা বর্ণের মাত্রা কাকে বলে? পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা ও মাত্রা ছাড়া বর্ণ কয়টি ও কি কি?

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button