কম্পিউটারের ইতিহাস- The History of Computer Part 10

Posted on

ডেস্কটপ। Desktop

মেকিনটোশ কম্পিউটারের সুইচ অন (On) করার পর যে পর্দাটি ভেসে ওঠে সে পর্দাটিকেই ডেস্কটপ (Desktop) বলা হয়। এ পর্দায় বিভিন্ন প্রােগ্রাম, ফাইল, ফোল্ডার ইত্যাদির আইকোন (lcon) থাকে। আই.বি.এম. পিসিতে উইন্ডােজ চালু করার পর যে পর্দাটি আসে সে পর্দাটিকেই ডেস্কটপ (Desktop) হিসেবে চেনা যায়। এ ডেস্কটপেও বিভিন্ন প্রকার প্রােগ্রামের ও অন্যান্য কাজের জন্যে নির্দিষ্ট আইকোন থাকে। ডেস্কটপকে ফাইন্ডারও বলা হয়। কারণ, ফাইভার প্রােগ্রামই ডেস্কটপকে সক্রিয় করে প্রদর্শন করে। আই.বি.এম, পিসি’র উইন্ডােজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমে ও কম্পিউটার চালু করার পর কাজ এর প্রস্তুতি পরিবেশ হিসেবে ডেস্কটপ পর্দা আসে। 

ডিক। Disk 

কম্পিউটারের কাজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় ‘ডি’ (Disk)-এ। রেকর্ড প্লেয়ার বা গ্রামােফোনে যে ডিস্ক রেকর্ড ব্যবহার করা হয়, কম্পিউটারের ডিস্কও ঠিক তেমনি রেকর্ডের মতাে। কিন্তু আকারে অনেক ছােট। গ্রামােফোন বা রেকর্ড প্লেয়ারের রেকর্ড বেশ বড় এবং শক্ত। কম্পিউটারের ডিস্ক আকারে ছােট এবং পাতলা ও নরম। কম্পিউটারের ডিস্কে তথ্য ধারণ করা হয় চুম্বকীয় পদ্ধতিতে (ফ্লপি ডিস্ক এবং হার্ড ডিস্ক) এবং লেজার বিম পদ্ধতি (সিডি)। কম্পিউটারের ডিস্ক ৩ প্রকার ; (১) ফ্লপি ডিস্ক, (২) হার্ড ডিস্ক এবং (৩) কম্প্যাক্ট ডিস্ক (সিডি)। ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৮০০ কিলােবাইট থেকে প্রায় দেড় মেগাবাইট পর্যন্ত। হার্ড ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা কম পক্ষে ১২০ মেগাবাইট থেকে কয়েক গিগাবাইট, টেরাবাইট এবং তার চেয়েও অনেকগুণ বেশি হতে পারে। আগে ২০, ৪০, ৮০ মেগাবাইটের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্ক প্রচলিত ছিল। এখন ৮০ মেগাবাইট ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন হার্ডডিস্কও খুব একটা ব্যবহৃত হয় না। 

ডিক বাফার। Disk Buffer 

কম্পিউটারে কাজ করার সময় অপারেটিং সিস্টেম কোনাে তথ্য সরাসরি ডিস্কে সংরক্ষণ করে না। RAM-এর কিছু অংশ ভিন্ন করে নেয় এবং এ অংশকে অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণের জন্যে ব্যবহার করে। RAM-এর অংশকেই বলা হয় ‘ডিস্ক বাফার। ডিস্কে সংরক্ষণ করার জন্যে সেভ (Save) কমান্ড দিলেই মাত্র Disk Buffer-এ অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত তথ্য ডিস্কে সংরক্ষিত হয়। 

ডিস্ক ড্রাইভ। Disk Drive

কম্পিউটারে ডিস্ক ঢুকানাের জন্যে নির্দিষ্ট ঘরকেই ‘ডিস্ক ড্রাইভ’ বলা হয় । ফ্লপি ডিস্ক ঢুকানাের জন্যে ডিস্ক ড্রাইভ ৫.২৫ ইঞ্চি এবং সাড়ে ৩ ইঞ্চি মাপের হয়ে থাকে। কম্পিউটারের সঙ্গেকার এ ডিস্ক ড্রাইভকে বলা হয় ইন্টারনাল ডিস্ক ড্রাইভ’। আবার কম্পিউটারের বাইরেও ডিস্ক ড্রাইভ থাকতে পারে। এ ড্রাইভকে ক্যাবলের সাহায্যে কম্পিউটারের সঙ্গে সংযােগ দিতে হয়। 

ই-মেইল। E-Mail

Electronic Mail-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে E-Mail. ই-মেইল (E-Mail) হচ্ছে চিঠিপত্র প্রতিবেদন, লেখা ইত্যাদি আদান-প্রদানের ইলেকট্রনিক যােগাযােগ পদ্ধতি। ইলেকট্রনিক যােগাযােগ একজনের সঙ্গে একজনের বা একজনের সঙ্গে নেওয়ার্কভুক্ত বহুজনের হতে পারে। ই-মেইল বার্তা ধারণ ও প্রেরণ (Store and Forward} পদ্ধতিতে কাজ করে। এ জন্যে টেলিফোনের মতাে বার্তা গ্রাহকপ্রাপকের উপস্থিতি প্রয়ােজন হয় না । ই-মেইল নেটওয়ার্কের যে কোনে সদস্যের প্রেরিত বার্তা কেন্দ্রীয় সিস্টেমে ধারণ করা থাকে। অন্য সদস্যরা কেন্দ্রীয় সিস্টেমের ধারণ বাক্সের সঙ্গে সংযােগ সক্রিয় করে তার জন্যে নির্দিষ্ট বা প্রয়ােজনীয় বার্তাটি গ্রহণ করতে পারেন। আবার কেন্দ্রীয় সিস্টেম থেকে প্রাপকের সিস্টেমে বার্তা প্রেরণ করাও হয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় সিস্টেম এ ক্ষেত্রে প্রধান ডাকঘরের ভূমিকা পালন করে থাকে। ই-মেইল সরকারি বা বেসরকারি উভয় প্রকার হতে পারে। নির্দিষ্ট গগাষ্ঠী বা ব্যক্তিবর্গের মধ্যে লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Loeal Area Network = LAN)-এর মাধ্যমে ই-মেইল পদ্ধতি ব্যবহৃত হতে পারে। আবার সরকারি বা বড় ধরনের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ই-মেইল সার্ভিসের ব্যবস্থা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সেবা দান করা হয়ে থাকে। 

ইভ ইউজার। End User

কম্পিউটারের ব্যবহারের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে উপকৃত ব্যক্তিকেই ইন্ড ইউজার বলা হয়। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে কম্পিউটারের সাহায্যে ডাটা প্রেসেসিং বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে উপকৃত ব্যক্তিদের কম্পিউটারের সঙ্গে খুব একটা সম্পর্ক ছিল না। পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রচলন ব্যাপকতর হওয়ার পর কম্পিউটারের সঙ্গে বেশির ভাগ ব্যবহারকারীর সরাসরি সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। 

এক্সেল। Excel

এক্সেল হচ্ছে মাইক্রোসফট করপােরেশনের তৈরি স্পেডসিট প্রােগ্রাম। এতে পেজ লেআউট প্রােগ্রামের কিছু বৈশিষ্ট্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মেকিনটোশ এবং আই.বি.এম. পিসি কম্পাটিবল কম্পিউটারের উইন্ডােজ পরিবেশে এক্সেল ব্যবহার করা যায়। এক্সেলে যে কোনাে ধরনের টাইপ, শেডিং ও রঙ ব্যবহার করা যায় এবং ডেস্কটপ মানের মুদ্রণ নেওয়া যায়। এর সাহায্যে হিসাব নিকাশ, বার গ্রাফ, ইত্যাদি কাজ করা যায়। 

এরগােনােমিক্স Ergonomic

মানুষ (ব্যবহারী) এবং যন্ত্রের মধ্যে নিরাপদ ও বৈজ্ঞানিক কর্ম পরিবেশ সৃষ্টির জন্যে সুসামঞ্জস্যপূর্ণ নকশা প্রণয়নের বিদ্যাকে এরগােনােমিক্স’ বলা হয়। অর্থাৎ এরগােনােমিক্স-এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে মানুষ এবং যন্ত্রের পারস্পরিক সম্পর্ক নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্য ও দক্ষতার সাথে কর্ম সম্পাদনের অনুকূল হয়। এরগােনােমিক্স-কে কখনাে Human Engineering হিসেবেও অভিহিত করা হয় । 

ফাইল কনভারসন। File Conversion

এক প্রােগ্রামের ফাইল অন্য প্রােগ্রামে বা ফাইল ফরমেটে রূপান্তর করাকেই ফাইল কনভারসন’ বলা হয়। ফাইল কনভারসন বা রূপান্তর করা হয় ফাইল কনভারসন ইউটিলিটি প্রোগ্রাম (File Conversion Utility Program)-এর সাহায্যে । এ প্রােগ্রামের সাহায্যে এক ধরনের ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের ফাইল অন্য ধরনের ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রােগ্রামে, ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রােগ্রামের ফাইল গ্রাফিক্স প্রােগ্রামের ফাইলে এক ধরনের গ্রাফিক্স প্রােগ্রামের ফাইল অন্য ধরনের গ্রাফিক্স প্রােগ্রামের ফাইলে রূপান্তরিত করা যায়। 

ফ্রিওয়ার Freeware

স্বত্বসম্পন্ন (Copyrighted) যে সব প্রােগ্রাম ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়, কিন্তু মুনাফার জন্যে বিক্রয়ের অনুমতি দেওয়া হয় না, সে সব প্রােগ্রামকেই ‘ফ্রিওয়ার’ বলা হয় । 

ফাইল File

‘ফাইল’ না ‘নথি’ শব্দটি বহুল পরিচিত। অফিস-আদালতের বিভিন্ন কাজের বা বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র ভিন্ন ভিন্ন নামের ফাইলে বা নথিতে রাখা হয়। কম্পিউটারেও তেমনি কোনাে কাজ করে সংরক্ষণ করতে হয় ফাইলে। 

ফ্লপি ডিস্ক। Floppy Desk

ফ্লপি ডিস্ক সােয়া ৫ বা সালে ৩ বর্গইঞ্চির একটি প্লাস্টিকের চাকতির মতাে দেখায় । ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ফ্লপি ডিস্ক আবার দু ধরনের হয়। সাধারণ ফ্লটি ডিস্কের ধারণ  ক্ষমত ৬৪০/৭২০৮০০ কিলােবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি {High Density) ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১,২১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিলােবাইটকে সংক্ষেপে কে.বি, {KB) বা শুধু ‘কে’ (K) লেখা হয়। যেমন: ৮০০ কিলােবাইটের জন্যে লেখা হয় ৮০০ কে (80OK) মেগাবাইটকে সংক্ষেপে এম.বি. {MB) লেখা হয়।

হার্ডড I Hard Disk

হার্ড ডিস্ক হচ্ছে অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা নিয়ে গঠিত একটি বড় আকারের ডিস্ক। কাজেই, হার্ড ডিস্ক ইচ্ছে মতাে নাড়াচাড়া করা যায় না, প্রয়ােজনও হয় না। হার্ড ডিস্ক কম্পিউটারের নিচে বা পাশে মােটামুটি স্থায়ীভাবে বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয় । হার্ড ডিস্ক আবার কম্পিউটারের ভেতরেও থাকতে পারে। তখন এ হার্ড ডিস্ককে বলা হয় অভ্যন্তরীণ হার্ড ডিস্ক বা ইন্টারনাল হার্ড ডিস্ক’। ফ্লপি ডিস্ক পকেটে ফেলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়, প্যাকেটে ঢুকিয়ে তুলে রাখা যায়, এক কম্পিউটারে কাজ করে অন্য কম্পিউটারে নিয়ে সম্পাদনার কাজ করা যায়, যেখানে সুবিধে সেখান থেকেই প্রিন্ট নেওয়া যায়। কম্পিউটারের সঙ্গে হার্ড ডিস্কের সংযােগ থাকে ক্যাবল বা তারের মাধ্যমে। কিন্তু ফ্লপি ডিস্ক কম্পিউটারের ভেতরে ঢুকিয়ে বা বাইরে রাখা ড্রাইভে ঢুকিয়ে কাজ করতে হয়। কম্পিউটারের পর্দার নিচেই ডান দিকে ফ্লপি ডিস্ক ঢুকানাের প্রবেশ মুখ বা ডিক ড্রাইভ (Disk Drive) থাকে। 

ফন্ট। Font

বাংলা অ থেকে শুরু করে পর্যন্ত সকল বর্ণ ও যুক্তাক্ষরসহ বর্ণমালার একটি সম্পূর্ণ সেট এবং ইংরেজির A থেকে Z পর্যন্ত ছােট ও বড় হাতের বর্ণমালার একটি সম্পূর্ণ সেটকে বলা হয় ফন্ট’। সকল ভাষার বর্ণমালার সম্পূর্ণ সেটকেই ফন্ট বলা হয়। আকৃতি অনুযায়ী একেক সেট ফন্টকে একেক নামে চিহ্নিত করা হয়। যেমন : ইংরেজির Bookman, Times, Helvetica, Optima ও বাংলার সুন্নী তন্বী, রিনকি ইত্যাদি নামের ফন্টগুলাের বর্ণমালার আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকমের। ব্যবহারকারীরা তাদের কাজের ধরন ও প্রয়ােজন অনুযায়ী বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করতে পারেন এবং করে থাকেন। 

গেটওয়ে |Gateway

দুটি ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক বা ‘লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network = LAN)-এর সাথে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network = WAN) বা মাইক্রো কম্পিউটারের সাথে মেইনফ্রেম কম্পিউটারের সংযােগ স্থাপনকারী যন্ত্রকে ‘গেটওয়া’ (Gateway) বলা হয়। 

গিগাবাইট।Gigabyte

১ গিগাবাইট সমান হচ্ছে ১০০ কোটি বাইট (Byte), অর্থাৎ প্রায় ১,০৭৩, ৭৪১,৮২৪ বাইট বা ১,০০০ মেগাবাইট। 

গ্রাফিক্স Graphics

গ্রাফিক্স’ বলতে পার্সোনাল কম্পিউটারে তৈরি করা, পরিমার্জন করা ও মুদ্রিত গ্রাফিক্স ইমেজ বােঝায় । কম্পিউটারের গ্রাফিক্স প্রধানত দু প্রকার। প্রথমত ‘অবজেক্ট অরিয়েন্টেড গ্রাফিক্স(Object Orented Graphics) বা “ভেক্টর গ্রাফিক্স (Vector Graphics) এবং বিটম্যাপ গ্রাফিক্স’ (Bit-Mapped Graphics) বা রাস্টার গ্রাফিক্স’ (Raster Graphics}। অবজেক্ট অরিয়েন্টেড গ্রাফিক্স’ (Object Oriented Graphics) প্রােগ্রাম সাধারণত ‘দ্র প্রােগ্রাম’ (Draw Program) হিসেবে পরিচিত । 

হার্ডওয়ার।Hardware

কম্পিউটার এবং কম্পিউটারের কাজের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত যে কোনাে যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে ‘হার্ডওয়্যার’ বলা হয়। তা সে যত ছােট বা যত বড়ই হােক না কেন। কম্পিউটারের মাদার বোের্ড, পাওয়ার বাের্ড এবং এ সৰ বাের্ডে সংযযাজিত সকল যান্ত্রিক অংশ, মনিটর, প্রিন্টার, কী-বাের্ড, মাউস, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, ক্যাবল, স্ক্যানার ইত্যাদি সব কিছুই হার্ডওয়্যার । 

হার্ডওয়্যার হ্যান্ডসেক Hardware Handshake

কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ শুরু এবং বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়ার বিশেষ পদ্ধতিকে হার্ডওয়্যার হ্যান্ডসেক বলা হয়। যেমন : অ্যাপল-এর ইমেজ রাইটার ২ প্রিন্টারে R.T.S. (Request To Send) লাইন লজিকের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ শুরু ও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তথ্য গ্রহণের বাফার (Input Buffer)-এর ক্ষমতার উপর এ লাইন লজিক পরিবর্তন নির্ভর করে। এ পদ্ধতিকে ‘Data Terminal Ready’ প্রােটোকলও বলা হয়। XON এবং XOFF বর্ণসঙ্কেত প্রদানের মাধ্যমে কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ শুরু ও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *