প্রশ্ন ও উত্তর

এইচএসসি (HSC) রসায়ন ২য় পত্র ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

সুপ্রিয় এইচএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে আমাদের এই আয়োজন। আশা করি তোমরা উপকৃত হবে। আজকে রসায়ন ২য় পত্র ৩য় অধ্যায় (পরিমাণগত রসায়ন) থেকে প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো।

পরিমাণগত রসায়ন কাকে বলে?

উত্তরঃ রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মোলভিত্তিক গণনাকে পরিমাণগত রসায়ন বা Stoichiometric Chemistry বলে।

মিথাইল অরেঞ্জ এসিড মাধ্যমে কি বর্ণ দেয়?

উত্তরঃ মিথাইল অরেঞ্জ এসিড মাধ্যমে লাল বর্ণ দেয়।

অম্লত্ব কী?

উত্তর : ক্ষারক কর্তৃক এসিডকে প্রশমিত করার ক্ষমতাই ঐ ক্ষারকের অম্লত্ব।

সেমিমোলার দ্রবণের ঘনমাত্রা কত?

উত্তর : সেমিমোলার দ্রবণের ঘনমাত্রা 0.5M।

দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের শতকরা হারকে কয়ভাগে প্রকাশ করা যায়?

উত্তর : দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের শতকরা হারকে ৩ ভাগে প্রকাশ করা যায়।

মোলার এবজরবিটি কাকে বলে?

উত্তর : মোল এককে শোষিত বস্তুর ওজনকে মোলার এবজরবিটি বলে।

অণু কর্তৃক শোষিত আলো কোন নীতির সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়?

উত্তর : বিয়ার নীতি ও ল্যাম্বার্ট নীতি।

জারক কাকে বলে?

উত্তরঃ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে পরমাণু বা মূলক বা যৌগ অন্য পরমাণু, মূলক বা যৌগকে জারিত করে তাকে জারক বলে। যেমন, O2HNO₃KMnO₄K2Cr2O7, HCl, CO2K3[Fe(CN)6]H2O2 ইত্যাদি।

বিজারক কাকে বলে?

উত্তরঃ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে পরমাণু, মূলক বা আয়ন ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাদেরকে বিজারক বলে। বিজারকসমূহ অন্য পরমাণু বা মূলককে বিজারিত করে। যেমন, NaBH4H2O2,  H₂SFe2+FeCl2Na2S2O3

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কি?

উত্তরঃ প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ হচ্ছে এমন এক ধরনের পদার্থ যেগুলো কঠিন রাসায়নিক পদার্থ হিসেবে বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া এ সব পদার্থ বায়ুর সংস্পর্শে অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ বায়ুতে থাকা CO2O2 ও জলীয় বাষ্প দ্বারা আক্রান্ত হয় না, রাসায়নিক নিক্তিতে সঠিকভাবে ভর মেপে প্রমাণ দ্রবণ প্রস্তুত করা যায় এবং প্রস্তুতকৃত প্রমাণ দ্রবণের ঘনমাত্রা অনেকদিন পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকে। যেমন- অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3), আর্দ্র অক্সালিক এসিড (H2C2O4.2H2O), K2Cr2O7, Na2C2O4.2H2O।

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের বৈশিষ্ট্য কী কী?

উত্তরঃ প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ

১. প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থগুলোকে বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়;

২. এগুলো বায়ুতে থাকা CO2, O2 ও জলীয় বাষ্প দ্বারা আক্রান্ত হয় না;

৩. রাসায়নিক নিক্তিতে সঠিকভাবে ভর মেপে প্রমাণ দ্রবণ প্রস্তুত করা যায়;

৪. পানিত্যাগী, পানিগ্রাহী ও পানিগ্রাসী নয়।

সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কাকে বলে?

উত্তরঃ যেসব পদার্থ প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ ও শুষ্ক অবস্থায় পাওয়া যায় না, বাতাসের অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয়বাষ্প ইত্যাদির সাথে বিক্রিয়া করে, রাসায়নিক নীক্তিতে সঠিকভাবে ওজন করা যায় না এবং যাদের দ্বারা তৈরিকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা অল্পসময়ে পরিবর্তিত হয় তাদেরকে সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। যেমনঃ  সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄), পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (KMnO₄), হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH) ইত্যাদি।

জারক ও বিজারকের মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তরঃ জারক ও বিজারকের মধ্যে দুটি পার্থক্য তুলে ধরা হলো–

  • যেসব পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয় তাদের জারক বলে। অন্যদিকে, যেসব পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয় তাদের বিজারক বলে।
  • জারকের জারণ সংখ্যা হ্রাস পেলেও বিজারকের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button